Menu
Japan Travel Guide 2026: First-time travel preparations and rules

জাপান ভ্রমণ গাইড ২০২৬: প্রথমবার ভ্রমণের প্রস্তুতি ও নিয়মাবলী

Japan Travel Guide 2026: First-time travel preparations and rules
Japan Travel Guide 2026: First-time travel preparations and rules

১. ইমিগ্রেশন প্রস্তুতি (Deportation থেকে বাঁচতে)

জাপান ইমিগ্রেশন বেশ কড়াকড়ি হতে পারে। তাই নিজেকে একজন প্রকৃত পর্যটক হিসেবে প্রমাণ করতে নিচের পদক্ষেপগুলো নিন:

  • অগ্রিম ট্রিপ বুকিং: মাউন্ট ফুজি ডে ট্রিপ, টোকিও ডিজনিল্যান্ড বা স্কাই ট্রি-র মতো ২–৩টি স্পটের টিকিট অগ্রিম পেমেন্ট করে বুক করে রাখুন। এটি আপনাকে ইন্টারভিউ বা ডিপোর্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
  • প্রয়োজনীয় প্রশ্ন: ইমিগ্রেশনে সাধারণত ভ্রমণের উদ্দেশ্য, সময়কাল, পেশা এবং দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। সঠিক ডকুমেন্ট থাকলে ৩০ সেকেন্ডেই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হওয়া সম্ভব।

২. প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম

  • Type-A Plug Adapter: জাপানে সব জায়গায় Type-A প্লাগ ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ থেকে একটি এক্সট্রা অ্যাডাপ্টার সাথে না নিলে আপনি আপনার ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো চার্জ দিতে পারবেন না।

৩. যাতায়াত ও খরচ নিয়ন্ত্রণ

  • মেট্রো ও বাস: ট্যাক্সি বা উবার অত্যন্ত ব্যয়বহুল (যেমন: নারিটা এয়ারপোর্ট থেকে টোকিও যেতে ২০,০০০+ টাকা লাগতে পারে)। তাই সাশ্রয় করতে মেট্রো বা বাস ব্যবহার করুন।
  • বাজেট: জাপান বেশ দামী দেশ। যাতায়াত, খাবার ও হোটেলের জন্য আপনার নির্ধারিত বাজেটের চেয়েও কিছুটা বেশি অর্থ সাথে রাখুন।

৪. টাকা ও কার্ড ব্যবস্থাপনা

  • Credit Card: জাপানে ডেবিট কার্ডের চেয়ে ক্রেডিট কার্ড বেশি কার্যকর। তবে অনেক সময় মেট্রো টিকিট কাটতে কার্ড কাজ করে না, তাই সব সময় কিছু নগদ ইয়েন (Yen) সাথে রাখুন।
  • Exchange: এয়ারপোর্ট বা সুপার শপের এক্সচেঞ্জ মেশিন থেকে টাকা পরিবর্তন করে নিতে পারেন।

৫. মুসলিম ভ্রমণকারীদের জন্য খাবারের সতর্কতা 🍱

জাপানে হালাল খাবার পাওয়া বেশ কঠিন। সাধারণ চিপস, নুডলস বা বানেও শূকরের চর্বি বা হাড়ের গুঁড়া থাকতে পারে। তাই কিছু কেনার আগে উপাদানের তালিকা খুব ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিন। প্রয়োজনে সাথে কিছু শুকনো খাবার রাখতে পারেন।

৬. জাপানের কঠোর নিয়মাবলী

  • ধূমপান: প্রকাশ্যে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রতিটি এলাকায় নির্ধারিত Smoking Zone রয়েছে, শুধুমাত্র সেখানেই ধূমপান করা যাবে।
  • হোটেল নিয়ম: হোটেলের নিয়মগুলো কঠোরভাবে মেনে চলুন। হোস্টেল বা ডরমেটরিতে কমন বাথিং স্পেস থাকতে পারে যেখানে সবাই নগ্ন হয়ে গোসল করে, যা আমাদের সংস্কৃতির জন্য অপ্রস্তুত হতে পারে। নিয়ম ভঙ্গ করলে পুলিশি ঝামেলা হতে পারে যা আপনার পাসপোর্টের রেকর্ডে থেকে যাবে।

৭. জাপানিদের ব্যবহার

জাপানি মানুষ অত্যন্ত সাহায্যকারী। কোনো সমস্যায় পড়লে বা ছবি তোলার প্রয়োজন হলে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করলে তারা সাধ্যমতো সাহায্য করবে। ভাষা বুঝতে সমস্যা হলে ট্রান্সলেশন অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।

জাপান ভ্রমণের ক্ষেত্রে টোকিও’র পাশাপাশি ওসাকা (Osaka) এবং কিয়োটো (Kyoto) শহর দুটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। নিচে আপনার জন্য একটি সংক্ষিপ্ত ও কার্যকরী ভ্রমণ পরিকল্পনা দেওয়া হলো:


কিয়োটো জাপানের প্রাচীন রাজধানী এবং সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র। এখানে আপনি জাপানের আসল ইতিহাস ও ঐতিহ্য খুঁজে পাবেন।

  • ফিশিমি ইনারি শ্রাইন (Fushimi Inari-taisha): পাহাড়ের ওপর দিয়ে হাজার হাজার লাল তোরণ (Torii gates)-এর মধ্য দিয়ে হেঁটে যাওয়ার এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
  • কিনকাকু-জি (Kinkaku-ji): এটি মূলত ‘গোল্ডেন প্যাভিলিয়ন’ নামে পরিচিত। পুরো মন্দিরটি সোনার প্রলেপে ঢাকা এবং এর চারপাশের বাগানটি মনোমুগ্ধকর।
  • আরাশিয়ামা ব্যাম্বু ফরেস্ট (Arashiyama Bamboo Grove): আকাশের দিকে মুখ করে থাকা লম্বা বাঁশঝাড়ের মধ্য দিয়ে হাঁটার প্রশান্তিময় এক পথ।
  • কিয়মিজু-দেরা (Kiyomizu-dera): ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। এখানকার কাঠের বিশাল বারান্দা থেকে পুরো কিয়োটো শহর দেখা যায়।

🎡 ওসাকা: আধুনিকতা ও খাবারের স্বর্গ (২ দিন)

ওসাকা তার প্রাণবন্ত রাত, সুস্বাদু স্ট্রিট ফুড এবং বিনোদন কেন্দ্রগুলোর জন্য বিখ্যাত।

  • ওসাকা ক্যাসেল (Osaka Castle): জাপানের ইতিহাসের অন্যতম সাক্ষী এই দুর্গ। এর চারপাশের বিশাল উদ্যানটি বেশ সুন্দর।
  • দোতোনবোরি (Dotonbori): এটি ওসাকার প্রধান পর্যটন এলাকা। এখানকার নিয়ন সাইন (বিশেষ করে Glico Man) এবং রাস্তার ধারের খাবার (তাকোয়াকি, ওকোনোমিয়াকি) বিশ্ববিখ্যাত।
  • ইউনিভার্সাল স্টুডিওস জাপান (USJ): যারা থিম পার্ক পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি সেরা জায়গা। বিশেষ করে ‘সুপার নিনটেন্ডো ওয়ার্ল্ড’ এবং ‘হ্যারি পটার’ জোনটি মিস করা যাবে না।
  • উমেদা স্কাই বিল্ডিং: সূর্যাস্তের সময় এখান থেকে ওসাকা শহরের প্যানোরামিক ভিউ দেখা যায়।

💡 বিশেষ ভ্রমণ টিপস

  • যাতায়াত: ওসাকা এবং কিয়োটো খুব কাছাকাছি (ট্রেনে মাত্র ৩০-৪০ মিনিট)। আপনি ওসাকায় থেকে দিনে দিনে কিয়োটো ঘুরে আসতে পারেন।
  • খাবার: মুসলিম ভ্রমণকারীদের জন্য এই দুই শহরেই বেশ কিছু ভালো হালাল ইন্ডিয়ান বা টার্কিশ রেস্টুরেন্ট আছে। তবে স্থানীয় সুশি বা ভেজিটেবল রামেন ট্রাই করার সময় উপকরণ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।
  • শিংকানসেন (Shinkansen): টোকিও থেকে ওসাকা বা কিয়োটো যাওয়ার জন্য বুলেট ট্রেন সবচেয়ে আরামদায়ক, তবে এটি কিছুটা ব্যয়বহুল।

Subscribe to our Hajj and Umrah related Telegram channel to know more such Masla Masael regularly

For latest updates, you can join our ✅WhatsApp group or ☑️ Telegram channel.

গুগল ম্যাপ লোকেশন: https://share.google/E4We5ev9hVwoemWMx

আমাদের অফিসের গুগুল লোকেশন ম্যাপ