Menu
Kenya to Malaysia: Immigration and Backpacking Guide on a Bangladeshi Passport

কেনিয়া থেকে মালয়েশিয়া: বাংলাদেশী পাসপোর্টে ইমিগ্রেশন ও ব্যাকপ্যাকিং গাইড

পূর্ব আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ এশিয়া—৩ মাসব্যাপী দীর্ঘ ব্যাকপ্যাকিং ভ্রমণের ইমিগ্রেশন অভিজ্ঞতা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে এই বিশেষ নিবন্ধ। যারা প্রথমবার বা একা আন্তর্জাতিক ভ্রমণে বের হতে চাচ্ছেন, বিশেষ করে বাংলাদেশী পাসপোর্টে ল্যান্ড বর্ডার ক্রস করার অভিজ্ঞতা জানতে চান, তাদের জন্য এই গাইডটি অত্যন্ত সহায়ক হবে।

কেনিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা ও রুয়ান্ডা ভ্রমণের ল্যান্ড বর্ডার ইমিগ্রেশন অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশী পাসপোর্টে ই-ভিসা ও ইটিএ ব্যবহার করে ভ্রমণের পূর্ণাঙ্গ টিপস।


কেনিয়া থেকে মালয়েশিয়া: ৩ মাসের ব্যাকপ্যাকিং ও ইমিগ্রেশন গাইড

বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশ ভ্রমণে ইমিগ্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সম্প্রতি কেনিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, শ্রীলঙ্কা এবং মালয়েশিয়া ভ্রমণের বাস্তব ইমিগ্রেশন অভিজ্ঞতা নিচে তুলে ধরা হলো।

১. কেনিয়া (Kenya) 🇰🇪

কেনিয়ার জন্য বর্তমানে ETA (Electronic Travel Authorization) নিতে হয় যা অনলাইনে সহজে পাওয়া যায়।

  • প্রক্রিয়া: ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাসপোর্ট এবং ETA-এর প্রিন্ট কপি জমা দিতে হয়।
  • জিজ্ঞাসাবাদ: ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা (Itinerary) জানতে চাওয়া হতে পারে। আপনার কাছে ফরমাল আইটিনারি না থাকলেও গুগল ম্যাপে সেভ করা জায়গাগুলো দেখিয়ে অফিসারকে আশ্বস্ত করা সম্ভব।
  • টিপস: রিটার্ন টিকিট বা হোটেল বুকিং সব সময় চেক না করলেও সাথে রাখা নিরাপদ।

২. তানজানিয়া (Tanzania) 🇹🇿

কেনিয়া থেকে তানজানিয়া প্রবেশের জন্য Lunga Lunga/Horohoro ল্যান্ড বর্ডার ব্যবহার করা যায়।

  • চ্যালেঞ্জ: বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ল্যান্ড বর্ডারে কিছুটা বাড়তি জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে হতে পারে। বিশেষ করে আপনি অবৈধভাবে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন কিনা, তা নিশ্চিত হতে অফিসাররা আপনার ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ চেক করতে পারেন।
  • প্রয়োজনীয় কাগজ: ই-ভিসার কপি (ইনভাইটেশনসহ), হোটেল বুকিং এবং রিটার্ন টিকিট।
  • সতর্কতা: ই-ভিসা ল্যান্ড বর্ডারে কার্যকর নয়—এমন ভুল তথ্য দিতে পারে, তবে দৃঢ়তার সাথে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করলে তারা অনুমতি দেয়।

৩. উগান্ডা ও রুয়ান্ডা (East African Tourist Visa – EATV) 🇺🇬 🇷🇼

পূর্ব আফ্রিকার এই দেশগুলোতে ভ্রমণের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো East African Tourist Visa (EATV)। এটি উগান্ডা, রুয়ান্ডা এবং কেনিয়ার মধ্যে মাল্টিপল এন্ট্রি সুবিধা দেয়।

  • উগান্ডা (Mutukula বর্ডার): ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ। শুধু ভ্রমণের উদ্দেশ্য জানতে চাওয়া হয়।
  • রুয়ান্ডা (Katuna বর্ডার): এটি একটি অত্যন্ত গোছানো ইমিগ্রেশন পোস্ট। এখানে সাধারণত হোটেল বুকিং এবং কতদিন থাকবেন তা জানতে চাওয়া হয়।

৪. শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka) 🇱🇰

শ্রীলঙ্কায় প্রবেশের জন্য ETA প্রয়োজন।

  • ইমিগ্রেশন: কতদিন থাকবেন, হোটেল বুকিং এবং রিটার্ন টিকিট চেক করা হয়।
  • আর্থিক প্রমাণ: আপনার কাছে পর্যাপ্ত ক্যাশ বা কার্ড আছে কিনা তা জানতে চাওয়া হতে পারে। ক্যাশ না থাকলে আপনার ইন্টারন্যাশনাল কার্ড এবং অ্যাপের ব্যালেন্স দেখিয়েও সফলভাবে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

৫. মালয়েশিয়া (Malaysia) 🇲🇾

কলম্বো থেকে কুয়ালালামপুর ভ্রমণে মালয়েশিয়ার ই-ভিসা বা স্টিকার ভিসা প্রয়োজন।

  • চেক-ইন কাউন্টার: অনেক সময় এয়ারলাইন্স কাউন্টারে পর্যাপ্ত ক্যাশ ডলার আছে কিনা তা দেখতে চায়। ক্যাশ না থাকলে কার্ড এবং ব্যাংক ব্যালেন্সের প্রমাণ সাথে রাখুন।
  • KLIA2 ইমিগ্রেশন: রিটার্ন টিকিট এবং মালয়েশিয়ায় অবস্থানের পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হয়। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় থাকার কারণ জানতে চাইলে আপনার ব্যাকপ্যাকিং বা ভ্রমণের পরিকল্পনাটি বুঝিয়ে বলুন।

⚠️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ টিপস

  1. Yellow Fever Vaccine: আফ্রিকার সব ল্যান্ড বর্ডারে প্রবেশের সময় ইয়োলো ফিভার ভ্যাকসিনের অরিজিনাল সার্টিফিকেট চেক করা বাধ্যতামূলক। এটি ছাড়া বর্ডারে প্রবেশ করতে দেবে না।
  2. ডকুমেন্টস প্রিন্ট কপি: ভিসা, ইটিএ বা হোটেল বুকিংয়ের অন্তত একটি করে ফিজিক্যাল প্রিন্ট কপি সাথে রাখুন। শুধু ফোনের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
  3. One Stop Border Post (OSBP): পূর্ব আফ্রিকার ল্যান্ড বর্ডারগুলো সাধারণত ওয়ান স্টপ হয়, অর্থাৎ এক রুমেই দুই দেশের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা যায়।
  4. আচরণ: ইমিগ্রেশন অফিসারের সাথে হাসিমুখে কথা বলুন এবং প্রতিটি প্রশ্নের স্পষ্ট ও সত্য উত্তর দিন।

এই আইটেনারারিটি পূর্ব আফ্রিকা থেকে শুরু করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।

📍 পর্ব ১: পূর্ব আফ্রিকা (কেনিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা ও রুয়ান্ডা)

সময়কালগন্তব্যভ্রমণ মাধ্যম ও ইমিগ্রেশন টিপস
সপ্তাহ ১-২কেনিয়া (Kenya) 🇰🇪প্রবেশ: অনলাইন ETA নিয়ে নাইরোবি এয়ারপোর্ট দিয়ে প্রবেশ। কেনিয়ার মাসাই মারা এবং উপকূলীয় এলাকা এক্সপ্লোর করুন।
সপ্তাহ ৩-৪তানজানিয়া (Tanzania) 🇹🇿বর্ডার: কেনিয়া থেকে Lunga Lunga/Horohoro ল্যান্ড বর্ডার দিয়ে প্রবেশ। টিপস: ল্যান্ড বর্ডারে বাড়তি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন এবং সকল ডকুমেন্ট সাথে রাখুন।
সপ্তাহ ৫-৬উগান্ডা (Uganda) 🇺🇬বর্ডার: তানজানিয়া থেকে Mutukula ল্যান্ড বর্ডার ব্যবহার করুন। ভিসা: East African Tourist Visa (EATV) থাকলে প্রবেশ অত্যন্ত স্মুথ।
সপ্তাহ ৭রুয়ান্ডা (Rwanda) 🇷🇼বর্ডার: উগান্ডা থেকে Katuna বর্ডার দিয়ে প্রবেশ। রুয়ান্ডার কিগালি শহর এবং তাদের গোছানো ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা উপভোগ করুন।
সপ্তাহ ৮উগান্ডা ও কেনিয়া (Back)EATV ব্যবহার করে পুনরায় উগান্ডা হয়ে কেনিয়া (Busia বর্ডার) ফিরে আসা।

📍 পর্ব ২: দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়া)

সময়কালগন্তব্যভ্রমণ মাধ্যম ও ইমিগ্রেশন টিপস
সপ্তাহ ৯-১০শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka) 🇱🇰ফ্লাইট: নাইরোবি থেকে কলম্বো। টিপস: ইমিগ্রেশনে হোটেল বুকিং ও রিটার্ন টিকিট দেখাতে হয়। ক্যাশ না থাকলে ইন্টারন্যাশনাল কার্ডের ব্যালেন্স দেখান।
সপ্তাহ ১১-১২মালয়েশিয়া (Malaysia) 🇲🇾ফ্লাইট: কলম্বো থেকে কুয়ালালামপুর। টিপস: এয়ার এশিয়া বা বাজেট এয়ারলাইন্সে ভ্রমণের সময় লাগেজের ওজন এবং প্রয়োজনীয় ফান্ডের প্রমাণের দিকে খেয়াল রাখুন। কুয়ালালামপুর ছাড়াও বোর্নিও দ্বীপ এক্সপ্লোর করার পরিকল্পনা রাখতে পারেন।

📋 ভ্রমণের জন্য জরুরি চেকলিস্ট

  • ভিসা ও পারমিট: কেনিয়ার ETA, তানজানিয়া ই-ভিসা, এবং উগান্ডা-রুয়ান্ডা-কেনিয়ার জন্য East African Tourist Visa (EATV)আগেভাগেই নিশ্চিত করুন।
  • স্বাস্থ্য সুরক্ষা: আফ্রিকার দেশগুলোতে প্রবেশের আগে অবশ্যই Yellow FeverTravel guide for backpackers and individuals in UgandaVaccine নিতে হবে এবং অরিজিনাল সার্টিফিকেট সাথে রাখতে হবে।
  • আর্থিক প্রস্তুতি: অনেক সময় ইমিগ্রেশন বা এয়ারলাইন্স কাউন্টারে পর্যাপ্ত নগদ ডলার দেখতে চায়। ক্যাশ কম থাকলে ব্যাংকিং অ্যাপে ব্যালেন্স বা ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড প্রদর্শন করুন।
  • ইমিগ্রেশন প্রস্তুতি: প্রতিটি দেশের জন্য রিটার্ন টিকিট এবং হোটেল বুকিংয়ের অন্তত একটি করে প্রিন্ট কপি (Physical Copy) সাথে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।

৩ মাসের ব্যাকপ্যাকিং রুটে থাকা দেশগুলোর জনপ্রিয় কিছু দর্শনীয় স্থানের ইতিহাস ও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:


১. কেনিয়া (Kenya) 🇰🇪

  • মাসাই মারা ন্যাশনাল রিজার্ভ (Maasai Mara): এটি আফ্রিকার অন্যতম বিখ্যাত বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। এর নামকরণ করা হয়েছে আদিবাসী মাসাই জনগোষ্ঠীর সম্মানে। প্রতি বছর এখানে ‘গ্রেট মাইগ্রেশন’ ঘটে, যেখানে লক্ষ লক্ষ জেব্রা এবং ওয়াইল্ডবিস্ট নদী পার হয়ে তানজানিয়া থেকে কেনিয়ায় আসে।
  • লামু ওল্ড টাউন (Lamu Old Town): এটি কেনিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন এবং সংরক্ষিত সোয়াহিলি বসতি। এটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভুক্ত। এর স্থাপত্যে আরব, পারস্য এবং ভারতীয় প্রভাবের এক অনন্য সংমিশ্রণ দেখা যায়।

২. তানজানিয়া (Tanzania) 🇹🇿

  • মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো (Mount Kilimanjaro): এটি আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বত এবং বিশ্বের উচ্চতম মুক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকা পর্বত (Standing mountain)। এটি একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি। এর তিনটি আগ্নেয়গিরি শঙ্কুর মধ্যে ‘কিবো’ সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
  • জাঞ্জিবার (Zanzibar – Stone Town): এটি একসময় মশলা বাণিজ্যের কেন্দ্র ছিল। এখানকার পাথর দিয়ে তৈরি সরু গলি এবং বিশালাকার খোদাই করা কাঠের দরজাগুলো ওমানি এবং পর্তুগিজ ইতিহাসের সাক্ষী বহন করে।

৩. উগান্ডা (Uganda) 🇺🇬

  • বুয়িন্দি ইমপেনাট্রেবল ন্যাশনাল পার্ক (Bwindi Impenetrable Forest): উগান্ডা ‘আফ্রিকার মুক্তা’ নামে পরিচিত। এই বনটি বিশ্বের অর্ধেক বিরল মাউন্টেন গরিলা-র আবাসস্থল। এটি একটি অত্যন্ত প্রাচীন বন যা শেষ বরফ যুগের সময়ও টিকে ছিল বলে ধারণা করা হয়।
  • নীল নদের উৎস (Source of the Nile): উগান্ডার জিনজা (Jinja) নামক স্থানে বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীল নদের উৎস অবস্থিত। ভিক্টোরিয়া লেক থেকে নীল নদের যাত্রা শুরু হওয়ার এই দৃশ্যটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

৪. রুয়ান্ডা (Rwanda) 🇷🇼

  • কিগালি জেনোসাইড মেমোরিয়াল (Kigali Genocide Memorial): এটি রুয়ান্ডার আধুনিক ইতিহাসের এক করুণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ১৯৯৪ সালের গণহত্যার স্মৃতিবাহী এই স্থানটি রুয়ান্ডাবাসীদের পুনর্জন্ম এবং ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
  • ভলকানোস ন্যাশনাল পার্ক (Volcanoes National Park): এটি ডায়ান ফসি (Dian Fossey)-র গরিলা গবেষণার জন্য বিখ্যাত। এখানে পাঁচটি আগ্নেয়গিরি রয়েছে এবং এটি রুয়ান্ডার প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।

৫. শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka) 🇱🇰

  • সিগিরিয়া (Sigiriya): এটিকে ‘লায়ন রক’ বলা হয়। পঞ্চম শতাব্দীতে রাজা কাশ্যপ এই পাথরের ওপর তাঁর দুর্গ ও প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন। এর গায়ে থাকা প্রাচীন দেয়ালচিত্র (Frescoes) এবং আয়না দেওয়াল (Mirror Wall) স্থাপত্যের বিস্ময় হিসেবে গণ্য করা হয়।
  • ক্যান্ডি (Kandy): এখানে অবস্থিত ‘টেম্পল অফ দ্য টুথ রেলিক’ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র, কারণ এখানে গৌতম বুদ্ধের দাঁত সংরক্ষিত আছে বলে বিশ্বাস করা হয়।

৬. মালয়েশিয়া (Malaysia) 🇲🇾

  • বোর্নিও দ্বীপ (Borneo – Sabah/Sarawak): এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। এখানকার প্রাচীন রেইনফরেস্ট এবং ওরাং ওটাং (Orangutan) সংরক্ষণ কেন্দ্র বিশ্ববিখ্যাত। এটি জীববৈচিত্র্যের এক বিশাল ভাণ্ডার।
  • মেলাকা (Melaka): মালয়েশিয়ার ইতিহাসের শুরু মূলত এখান থেকেই। পর্তুগিজ, ডাচ এবং ব্রিটিশ শাসনের প্রভাবে মেলাকা একটি অনন্য সাংস্কৃতিক ও স্থাপত্যের জনপদে পরিণত হয়েছে।

ভিসা প্রসেসিং এবং এয়ার টিকেট সংক্রান্ত যে কোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন:

আত তাবলীগ হজ্জ সার্ভিসেস

আপনার হজ্জ, উমরাহ এবং বিভিন্ন দেশের ট্যুরিস্ট ভিসা সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য সেবার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


আমাদের সেবাসমূহ:

  • ফিলিপাইন ভিসা সহায়তা: আমাদের অভিজ্ঞ টিমে মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস ও ফর্ম ফিলাপে সঠিক গাইডলাইন।
  • সাউথ আফ্রিকা ও নামিবিয়া ভিসা: সাউথ আফ্রিকা থেকে নামিবিয়া ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রস্তুতি ও পরামর্শ।
  • ইস্ট আফ্রিকান টুরিস্ট ভিসা (EATV): কেনিয়া, উগান্ডা ও রুয়ান্ডা ভ্রমণের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা প্রসেসিং।
  • এয়ার টিকেট: দেশি-বিদেশি সকল এয়ারলাইন্সের সাশ্রয়ী টিকিট বুকিং সুবিধা।

Subscribe to our Hajj and Umrah related Telegram channel to know more such Masla Masael regularly

For latest updates, you can join our ✅WhatsApp group or ☑️ Telegram channel.

গুগল ম্যাপ লোকেশন: https://share.google/E4We5ev9hVwoemWMx

আমাদের অফিসের গুগুল লোকেশন ম্যাপ